• ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Theatre Festival

বিনোদুনিয়া

ধূমকেতু পাপেট থিয়েটারের সপ্তম জাতীয় পুতুল নাটকের উৎসব

ধুমকেতু পাপেট থিয়েটারের পরিচালনায় ও কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের সহযোগিতায় সপ্তম জাতীয় পুতুল নাটক উৎসব সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো দুদিন ধরে উত্তর কলকাতার বাগবাজার রিডিং লাইব্রেরীতে। সংস্থার পরিচালক দিলীপ মন্ডল জানান এবার উৎসবের থিম জনসেবায় পুতুলের ব্যবহার, শিক্ষা স্বাস্থ্য ও সমাজ সচেতনতা। আমরা গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে কলকাতার নানান স্কুল ও সংস্থায় আমরা পাপেট কর্মশালা ও সেমিনার করে চলেছি। আসাম ও নাগাল্যান্ডে ওয়াকসপ সেমিনার করার পরেও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্কুলে এবং বিভিন্ন সংস্থায় পাপেটের কর্মশালা ও সেমিনারের করেছি। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্কুলে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও স্বচ্ছতা, স্বচ্ছ ভারত নিয়ে পুতুল নাটক করা হয়। এবারের উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠান হয় বাগবাজার রিডিং লাইব্রেরীতে দুদিনে ধরে। প্রদীপ জ্বালিয়ে এই উৎসবের শুভ সূচনা করেন বিশিষ্ট সমাজসেবী সমিত সাহা ও নাট্য নির্দেশক সুরজিৎ সিনহা। তাদের উত্তরীয় ও স্বারক দিয়ে সংবর্ধনা জানান ধূমকেতু পাপেট এর কর্ণধার দিলীপ মন্ডল। প্রেক্ষাগৃহে প্রথম দিনের অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিলো ধুমকেতু পাপেট থিয়েটারের স্বাধীনতা বিপ্লবীদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ছেলেমেয়েদের নিয়ে জগায়ের স্বপ্ন রাংতাল থিয়েটারের মানব পুতুল এবং সংবেদনের ঠোঙার পাপেট মঞ্চস্থ হয়। দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান শুরু বেলা দুটো থেকে। এদিন ছিলো শিল্পাঞ্জলির র তারের পুতুল নাচ আর কথা বলা পুতুল, ধুমকেতু পাপের থিয়েটারের কথা বলা পুতুল, অরুণ কুমার ঘোষের পুতুল নাচ, আশা নিকেতনের জগায়ের স্বপ্ন দ্বিতীয় পর্ব আর স্বনির্ভর দলের পাপেটে পড়া পড়া খেলা। এই ছিলো উৎসবের দ্বিতীয় ও শেষ দিনের ধূমকেতু পাপেট আয়োজিত জাতীয় পুতুল উৎসবের মূল আকর্ষণ। সব মিলিয়ে সমগ্র অনুষ্ঠানটি এক কথায় অনবদ্য হয়ে ওঠে। সামগ্রিক অনুষ্ঠান এর ভাবনা, পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন ধূমকেতু পাপেট এর কর্ণধার দিলীপ মন্ডল।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

অনুষ্ঠিত হলো গোবরডাঙ্গা চেতক আয়োজিত নাট্য বিষয়ক সেমিনার " দলগুলির ঐকান্তিক প্রচেষ্টা থাকলেও থিয়েটারে দর্শক কমে যাচ্ছে কেন"?

গোবরডাঙ্গা চেতক তাদের নিজস্ব মহলা কক্ষে আয়োজন করেছিলো এক নাট্য বিষয়ক সেমিনারের। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গোবরডাঙ্গা পৌরসভার পৌরপিতা ও নাট্য অভিনেতা শঙ্কর দত্ত। তিনি এই উদ্যোগ কে সাধুবাদ জানান এবং প্রদীপ জ্বালিয়ে এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন। গোবরডাঙ্গা চেতকের নাট্য বিষয়ক সেমিনারের বিষয় ছিলো নাট্য দলগুলির ঐকান্তিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও সাধারণ দর্শকের নাট্য বিমুখতা...কেন? এই নিয়ে আলোকপাত করেন গোবরডাঙ্গা শিল্পায়নের নির্দেশক আশীষ চট্টোপাধ্যায়, ভাবনা থিয়েটার পত্রিকার সম্পাদক অভিক ভট্টাচার্য , গোবরডাঙ্গা নাবিকনাট্যমের নির্দেশক জীবন অধিকারী এবং অশোকনগর নাট্যমুখ এর নির্দেশক অভি চক্রবর্তী সাংবাদিক ইন্দ্রজিৎ আইচ। সকলেই বর্তমান সময়ের নাট্য দল গুলির আর্থিক অনটন, অভিনেতা অভিনেত্রীদের পারিশ্রমিক না দিতে পারা, পত্র পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ন দেওয়া,প্রচারের অভাব এর পাশাপাশি দর্শকদের ভালো মন্দ, সময়-ব্যস্ততা, টিভি সিরিয়াল-ফেসবুকের রমরমা,টিকিটের মূল্যবৃদ্ধি, পরিবহন খরচ, নাটকের নামি অনামি শিল্পীদের অভিনয় সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ ও নানা কথা আলোচনা করেন থিয়েটার ব্যক্তিত্বরা। দীর্ঘ দু ঘন্টা এই সেমিনার চলে। এই আলোচনার সঞ্চালক ছিলেন গোবরডাঙ্গা চেতক এর সম্পাদক ও নির্দেশক দীপক সাহা।মঞ্চে উপস্থিত সকল নাট্য ব্যক্তিত্বদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন করে চেতক নাট্য দলের সদস্যরা। সমগ্র অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন গোবরডাঙ্গা চেতকের সভাপতি শৈলেন মুখোপাধ্যায়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি এক কথায় খুব তাৎপর্য পূর্ন হয়ে ওঠে। চেতকের কর্ণধার দীপক সাহা এক সাক্ষাৎকারে জানালেন ১৯৮৯ সাল থেকে আমাদের এই দলের পথ চলা শুরু হয়। কোনো সরকারী গ্র্যান্ড বা সাহায্য ছাড়াই আমরা প্রতি বছর চরম আর্থিক অনটনের মধ্যে থেকে নাট্য উৎসব, সেমিনার ও নাট্য কর্মশালা করে চলেছি।

এপ্রিল ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সাড়ম্বরে উদযাপিত হলো তিন দিনের ইমন নাট্যমেলা

প্রতি বছরের মতন এ বছর ও মছলন্দপুর ইমন মাইম সেন্টার আয়োজন করেছিল তিন দিনের ইমন নাট্যমেলা। গত ২৫ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ সংস্থার নিজ উদ্যোগে নির্মিত পদাতিক মঞ্চে অনুষ্ঠিত এই নাট্যমেলায় মঞ্চস্থ হয় মূকাভিনয়, আবৃত্তি, সঙ্গীত, নৃত্য ও নাটক। এছাড়াও অনুষ্ঠিত হয় সঙ্গীত, নৃত্য, অঙ্কন ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা।প্রথম দিন সন্ধ্যা ৬টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাট্য পরিচালক অভি চক্রবর্তী, তপন দাস, দোলা রায় হাওলাদার, অপূর্ব দে, জীবন অধিকারী, অভিজিৎ ব্যানার্জী ও ইমন মাইমের কর্ণধার ধীরাজ হাওলাদার সহ বহু বিশিষ্ট রা। প্রথম দিন ছিল গৌতম অধিকারী-র কথাবলা পুতুল এবং তারপর মঞ্চস্থ হয় দত্তপুকুর দৃষ্টি-র বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্য নির্দেশিত নাটক জুতা আবিষ্কার বাসুদেব আইচ পরিচালিত নটরাজ নৃত্য গোষ্ঠীর নৃত্যানুষ্ঠান এবং হালিশহর রংতাল থিয়েটারের মূকাভিনয়, পরিচালনায় ছিলেন রতন চক্রবর্তী। উৎসবের দ্বিতীয় দিন সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠিত হয় সংগীত প্রতিযোগিতা এবং তারপর ছিল নৃত্য প্রতিযোগিতা এরপর বিকেল ৫টা থেকে অনুষ্ঠিত হয় আইসকা মসলন্দপুর এর পরিবেশনায় ক্যারাটে প্রদর্শনী, পরিচালক স্বরাজ হাওলাদার। এদিন সম্মান জ্ঞাপন করা হয় বিশিষ্ট মূকাভিনয় শিল্পী মুকুল দেব, বৈদ্যনাথ চক্রবর্তী, রণেন চক্রবর্তী, দীপক মুস্তাফি প্রমুখদের। এদিনের অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল মীনাক্ষী পাঠকের পরিচালনায় মল্লার নৃত্যগোষ্ঠীর নৃত্যানুষ্ঠান, অনন্যা চক্রবর্তীর পরিচালনায় অনুশীলা কাব্যগীতি-র আবৃত্তি, মূকাভিনেতা শ্রীকান্ত বসু-র একক মূকাভিনয় ও শতকমল মাইম সেন্টারের মূকাভিনয়; পরিচালনায় ছিলেন কমল মন্ডল।এবছরের ইমন নাট্যমেলার তৃতীয় অর্থাৎ শেষ দিন, সকাল ১০টায় ছিল অঙ্কন প্রতিযোগিতা ও তারপর আবৃত্তি প্রতিযোগিতা। এদিন সন্ধ্যায় প্রথমেই ছিল সমস্ত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা গুলির পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান এবং তারপর একে একে পরিবেশিত হয় চন্দনা রায়ের পরিচালনায় ছন্দাবলী ও রনিতা দাস-এর পরিচালনায় সৃজন কলাকেন্দ্রের নৃত্যানুষ্ঠান ও সৌরজ্যোতি অধিকারী ও কৃষ্ণেন্দু তালুকদারের গান। এরপর মঞ্চস্থ হয় জীবন অধিকারীর পরিচালনায় গোবরডাঙ্গা নাবিক নাট্যমের নাটক অথ বৃষমঙ্গল কথা ধীরাজ হাওলাদারের পরিচালনায় মছলন্দপুর ইমন মাইম সেন্টার এর মূকাভিনয় আজি হতে শতবর্ষ পরে এবং শঙ্খশুভ্র বিশ্বাসের পরিচালনায় খাঁটুরা শিল্পাঞ্জলীর পাপেট শো।এই নাট্যমেলার শেষ দিনে মঞ্চে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার বিশিষ্ট সাংবাদিক ইন্দ্রজিৎ আইচ। তাঁকে ইমন মাইমের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা জানানো হয়। ইমন নাট্যমেলা-২০২২ এর প্রতিটি দিন উৎসবস্থল পরিপূর্ণ করে দর্শকরা নাটক, মূকাভিনয় ও অন্যান্য অনুষ্ঠান গুলি উপভোগ ও সমাদর করেছেন। মছলন্দপুর ইমন মাইম সেন্টার-এর কর্ণধার ধীরাজ হাওলাদার সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন-এই নাট্যমেলায় এত দর্শক বন্ধু এবং সাংস্কৃতিক সংস্থাগুলির সহৃদয় অংশগ্রহণ আমাদের সাহস ও শক্তি যোগায় এবং এই উৎসব কে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলে। মছলন্দপুর ইমন মাইম সেন্টার এর নাট্যমেলা মছলন্দপুর এর সংস্কৃতি জগতে একটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য আয়োজন হয়ে উঠেছে একথা বলাই যায়।

এপ্রিল ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মঞ্চস্থ হলো মুকুলিকা গানের স্কুল আয়োজিত দুদিনের মুক্ত মঞ্চে থিয়েটার উৎসব ২০২২

গোবরডাঙ্গা মুকুলিকা গানের স্কুলের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হলো এই প্রথম ২ দিন ব্যাপি আনন্দধারা মুক্ত মঞ্চে নাট্যৎসব ২০২২। প্রথমদিন এই উৎসবের সূচনা হয় সেমিনার দিয়ে। আমার ছেলেবেলা আমার থিয়েটার- শীর্ষক সেমিনারে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন নাট্য পরিচালক আশিষ চট্টোপাধ্যায়,ভাবনা থিয়েটারের সম্পাদক অভীক ভট্টাচার্য্য, নাট্যব্যক্তিত্ব দীপা ব্রহ্ম, নাট্য পরিচালক ও অভিনেতা জীবন অধিকারী ও ইমন মাইম সেন্টার এর কর্ণধার ধীরাজ হাওলাদার। সেমিনারে দীপা ব্রহ্ম একটি সঙ্গীত পরিবেশনও করেন, সেমিনারের বিষয়টি এবং উপস্থাপনা উপস্থিত শ্রোতা দের বিশেষভাবে উদ্বুদ্ধ করে। সেমিনার পরিচালনায় ছিলেন জীবন অধিকারী।এই নাট্য উৎসবের উদ্বোধনী সন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলেন গোবরডাঙ্গা পৌরসভার পৌর প্রধান শংকর দত্ত ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর শ্রীমতি রত্না বিশ্বাস চৌধুরী এবং সাংবাদিক ইন্দ্রজিৎ আইচ সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।উৎসবের প্রথম দিন অনিমা দাসের কথায় ও সুরে সম্মিলিত সঙ্গীতানুষ্ঠানের মাধ্যমে মুকুলিকার ছাত্র-ছাত্রীরা নাট্য উৎসবের সূচনা করে। প্রথমদিন এই উৎসবের মুল আকর্ষণ ছিলো শ্রুতিনাটক। অনিমা দাসের নির্দেশনা ও মুকুলিকার প্রযোজনায় মঞ্চস্থ হয় দুটি শ্রুতিনাটক শান্তিনীড়, ও আমার একলা আকাশ। প্রসঙ্গত শান্তিনীড় নাটকটি রচনা করেন অনিমা দাস। মুকুলিকা প্রয়োজিত বনানী মুখোপাধ্যায় এর নাটক সখা শ্রুতি নাটকটি সকলের ভালো লাগে, নির্দেশনা অনিমা দাস। এরপর গোবরডাঙ্গা নাবিক নাট্যমের নাটক স্বীকারোক্তি মঞ্চস্থ হয়, গল্প নন্দিতা বাগচী, নাটক সুব্রত সরকার, পরিকল্পনা ও নির্দেশনা জীবন অধিকারী। উৎসবের দ্বিতীয়দিন মঞ্চস্থ হয় ন্যাজার্ট ভাবনা প্রোয়োজিত নাটক কাঁথা, নির্দেশনা সমরেশ বসু, রচনা মোহিত চট্টোপাধ্যায়। ঐদিনের দ্বিতীয় নাটক টি ছিলো দৃষ্টি দত্তপুকুরের উপস্থাপনা পান্ডুলিপির সাদা পাতা।শেষ পরিবেশনা ছিলো ধীরাজ হাওলাদারের পরিচালনায় ইমন মাইম সেন্টার এর মূকাভিনয়। দর্শকরা দারুণভাবে উপভোগ করেছেন সেই মুকাভিনয়। সমগ্র উৎসব পরিকল্পনা, ভাবনা ও পরিচালনায় ছিলেন মুকুলিকার কর্ণধার অনিমা দাস।

মার্চ ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অনুষ্ঠিত হলো গোবরডাঙ্গা নাবিক নাট্যমের নাট্য উৎসব ২০২২

গোবরডাঙ্গা শিল্পায়ন স্টুডিও থিয়েটারে মহা সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হলো তিনদিন ধরে গোবরডাঙ্গা নাবিক নাট্যমের নাট্য মিলন উৎসব ২০২২। শাঁওলি মিত্র নামাঙ্কিত মঞ্চে এই উৎসবের উদ্বোধন করেন ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট একাডেমির প্রধান হৈমন্তী চট্ট্যোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন আশিস দাস, কৃষ্ণেন্দু চট্ট্যোপাধ্যায়, শ্যামল দত্ত, বাসুদেব কুন্ডু সহ বহু বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব। নাবিক সম্মানে সম্মানিত করা হয় অভিনেতা নরেন কন্ডু কে। এদিন মঞ্চস্থ হয় দুটি নাটক। প্রথম নাটক আমতা পরিচয়ের থ্যাঙ্ক ইউ দাদাজি। নির্দেশক - ঋতুপর্না বিশ্বাস। দ্বিতীয় নাটক গোবরডাঙ্গা নাবিক নাট্যমের অথ বৃষ মঙ্গল কথা, নির্দেশনা ও সামগ্রিক পরিকল্পনা - জীবন অধিকারী। দুটি নাটকই দর্শক সাধারনের মন জয় করে। বিশেষ করে অথ বৃষ মঙ্গল কথা নাটক টি দর্শকদের মনে আনন্দের জোয়ার এনে দেয়, হাস্যরসে এই সময়ের একটি অন্য রকম প্রযোজনা দর্শকদের মাতিয়ে রেখেছিল। দ্বিতীয় দিন মুকুলিকা গানের স্কুল পরিবেশন করেন শ্রুতি নাটক তাহার নামটি রঞ্জনা, বিধায়ক ভট্টাচাৰ্য এর এই নাটক টি পাঠ করেন অনিমা দাস ও আস্তিক মজুমদার, তারপর হরিপাল আশ্রমিক পরিবেশন করেন নাটক সেলসম্যান নাট্যকার ও নির্দেশক ভাস্কর দাস ও দিনের শেষ নাটক সূর্য সন্ধান থিয়েটার জঙ্গলমহলের এই নাটকটির নাট্যকার ও নির্দেশক সঞ্জয় আচার্য। তৃতীয় দিন অর্থাৎ উৎসবের শেষ দিন নাবিক সম্মান প্রদান করা হয় মায়া রাহা কে, তিনি ১৯৭৭ সালে নাবিক নাট্যমের প্রথম নাটকের প্রথম অভিনেত্রী ছিলেন। এই দিনের প্রথম নাটক ছিলো হালিশহর উনিটি মালঞ্চ প্রযোজিত আত্মকথন নির্দেশনায় ছিলেন দেবাশিস সরকার, দ্বিতীয় নাটক খড়দহ থিয়েটার জোন প্রযোজিত কাম ব্যাক বিনোদিনী নির্দেশক তপন দাস এবং সব শেষ ইমন মাইম সেন্টার পরিবেশন করেন একটি মুখাভিনয়। নির্দেশক ছিলেন ধীরাজ হওলাদার। সবমিলিয়ে সাড়ম্বরে উদযাপিত হলো নাবিক নাট্যমের নাট্য উৎসব ২০২২।

মার্চ ১৬, ২০২২

ট্রেন্ডিং

দেশ

অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার মাশুল! দুই বাংলাদেশি মহিলার বিরুদ্ধে আদালতের বড় রায়

অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া দেশে বসবাসের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি মহিলাকে দুবছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল মহারাষ্ট্রের একটি আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।দোষী সাব্যস্ত হওয়া দুই মহিলার নাম শাহানাজ বিলাল সদ্দার এবং হাসিনা জব্বর খান। আদালতের নথি অনুযায়ী, গত তিন ডিসেম্বর দুই হাজার চব্বিশ সালে মহারাষ্ট্রের থানে জেলার মিরা রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে পুলিশের মানব পাচার বিরোধী শাখা। এরপর থেকেই তাঁরা হেফাজতে ছিলেন।তদন্তে উঠে আসে, দুই মহিলা বৈধ নথি ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং মহারাষ্ট্রে একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।আদালতে দুই মহিলার আইনজীবী জানান, তাঁরা অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য। দুজনই বিবাহিত এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁদের বিরুদ্ধে আগে কোনও অপরাধের অভিযোগও ছিল না। পাশাপাশি আদালতের কাছে দাখিল করা আবেদনে দুই মহিলা নিজেদের দোষ স্বীকার করার ইচ্ছার কথাও জানান।সমস্ত দিক বিবেচনা করে আদালত বিদেশি আইন এবং পাসপোর্ট আইনের অধীনে দুই মহিলাকে দোষী সাব্যস্ত করে। তবে গ্রেপ্তারের পর থেকে তাঁরা যে সময় হেফাজতে কাটিয়েছেন, সেই সময় মূল কারাদণ্ডের মেয়াদের সঙ্গে সমন্বয় করার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারক।এই রায়ের পর অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া ভারতে বসবাসের অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচে বড় আতঙ্ক! দুর্গে পরিণত আটলান্টা, কেন এত কড়া নিরাপত্তা?

আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল ঘিরে এখন শুধু ফুটবল নয়, নিরাপত্তাও বড় আলোচনার বিষয়। দুই হাজার দুই সালের পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দেশ। এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে ইতিহাস, আবেগ এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন করে সামনে এসেছে। সেই কারণেই আটলান্টার স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা।মার্কিন প্রশাসনের মতে, চলতি বিশ্বকাপে এটাই সবচেয়ে স্পর্শকাতর ম্যাচগুলির একটি। সেই কারণে স্থানীয় পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি একাধিক বৈঠক করে নিরাপত্তা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।স্টেডিয়ামে বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সমর্থকদের নিরাপদে প্রবেশ নিশ্চিত করতে দুই দলের দর্শকদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে নির্দিষ্ট কিছু ব্যানার বা রাজনৈতিক বার্তা বহনকারী সামগ্রী স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়ার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বহু পুরনো। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুই দলের একাধিক ম্যাচ বিতর্ক, উত্তেজনা এবং নাটকীয় ঘটনার সাক্ষী। সেই কারণেই এই লড়াইকে ঘিরে সমর্থকদের আবেগও সব সময় তুঙ্গে থাকে।শুধু অতীতের ইতিহাস নয়, সাম্প্রতিক ঘটনাও প্রশাসনের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের জয়য়ের পর দুই দলের কিছু সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে আসে। সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে সতর্ক হয়েছে প্রশাসন।সব মিলিয়ে মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই এই ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা চরমে। একদিকে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে হ্যারি কেনের ইংল্যান্ড। তবে খেলার পাশাপাশি এবার নজর থাকবে মাঠের বাইরের পরিস্থিতির দিকেও। নিরাপত্তা ব্যবস্থার কড়াকড়ি থেকেই স্পষ্ট, কোনও ধরনের ঝুঁকি নিতে রাজি নয় আয়োজকরা।

জুলাই ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগেই মেসিদের ঘিরে বিস্ফোরক দাবি! বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের ডাক কেন?

বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলেছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। দুই হাজার দুই সালের পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে এই দুই ফুটবল শক্তির লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। তবে ম্যাচ শুরুর আগেই নতুন বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে লিওনেল মেসির দল।সাম্প্রতিক কয়েকটি ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সেই আবহেই সামাজিক মাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে একটি অনলাইন আবেদন ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে। ওই আবেদনের সমর্থকেরা অভিযোগ করেছেন, রেফারির সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়নি।প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, লক্ষ লক্ষ মানুষ ওই অনলাইন আবেদনে সমর্থন জানিয়েছেন। আবেদনকারীদের বক্তব্য, বিশ্বকাপে সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা উচিত। তবে এই দাবির বিষয়ে ফিফার পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।এই বিতর্কের মাঝেই মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই দুই দলের লড়াই বহু স্মরণীয় ঘটনার সাক্ষী। দিয়েগো মারাদোনার বিতর্কিত গোল থেকে শুরু করে একাধিক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ এখনও ফুটবলপ্রেমীদের মনে রয়েছে। তাই এবারও এই ম্যাচ ঘিরে প্রত্যাশা অনেক বেশি।ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনও ম্যাচের আগে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, আর্জেন্টিনা খুব অভিজ্ঞ দল। তারা জানে কীভাবে ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে হয় এবং প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে হয়। তাই এই ম্যাচ সহজ হবে না বলেই মনে করছেন তিনি।অন্যদিকে গোলদাতাদের তালিকাতেও নজর রয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের। লিওনেল মেসি আটটি গোল করে শীর্ষে রয়েছেন। কিলিয়ান এমবাপেও আট গোল করেছিলেন। ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনের ঝুলিতে রয়েছে ছয় গোল। ফলে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই ম্যাচে মেসি যেমন দলকে জেতানোর লক্ষ্য নিয়ে নামবেন, তেমনই গোলদাতাদের তালিকায় নিজের অবস্থান আরও শক্ত করার সুযোগও থাকবে তাঁর সামনে।সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের এই মহারণ শুধু দুই দলের লড়াই নয়, মাঠের বাইরের বিতর্কও এই ম্যাচকে আরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এনে দিয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

‘বেইমানদের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী’! বিস্ফোরক বার্তায় নতুন লড়াইয়ের ডাক মমতার

তৃণমূলের অন্দরে একের পর এক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে দলের ভিতরে অস্বস্তি বাড়লেও লড়াই থেকে এক ইঞ্চিও পিছিয়ে যেতে রাজি নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে আবারও শূন্য থেকে দল গড়ে তুলতে প্রস্তুত তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ দলের প্রতীক দেখে ভোট দিয়েছেন। তাই যাঁরা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তাঁদের বেইমান বলেও কড়া আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, দুই হাজার সাতানব্বই সালে একা লড়াই শুরু করেছিলেন। তখনও সফল হয়েছিলেন। তাই দুই হাজার ছাব্বিশ সালেও নতুন করে লড়াই শুরু করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে মদন মিত্র-সহ একাধিক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এই প্রসঙ্গে মমতা বলেন, অভিষেককে অকারণে নিশানা করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, অভিষেক নিজের দায়িত্ব পালন করছেন এবং আগামী বহু বছর রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন।মদন মিত্রের দলত্যাগ প্রসঙ্গেও পরোক্ষে প্রতিক্রিয়া দেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চাপ দেখিয়ে অনেককে দল ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের নোটিস পাঠিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা দল ছেড়ে গিয়েছেন, তাঁদের অনেকের পরিস্থিতি আগেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন।এরপর তৃণমূলের শুরুর দিনের কথা মনে করিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে দল গড়ে নির্বাচন লড়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছিল। পরে কঠিন সময় এলেও লড়াই থামেনি। তাই বর্তমান পরিস্থিতিকেও তিনি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছেন।একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশ নিয়েও বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশ মেনে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা হবে। প্রতি বছরের মতো সমাবেশের আগের দিন তিনি নিজে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন, যাতে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।মমতা আরও বলেন, কোনও বাধা এলেও সভা বন্ধ হবে না। প্রয়োজন হলে মাইক্রোফোন ছাড়াই কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ নির্ধারিত সময়েই হবে এবং দল লড়াই চালিয়ে যাবে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় স্বস্তি! আদালতের রায়ে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থল পেল কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের সমাবেশ কোথায় হবে, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই চলছিল জোর রাজনৈতিক টানাপোড়েন। শেষ পর্যন্ত সেই বিতর্কে ইতি টানল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ কালীঘাট তৃণমূলকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা করার অনুমতি দিয়েছে। তবে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে।আদালতে প্রথমে কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে হাজরায় সভা করার প্রস্তাব মানা হয়নি। পরে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেও সভা করার আবেদন জানানো হলেও আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। এরপর আদালত রাজ্যের কাছে বিকল্প জায়গার বিষয়ে মত জানতে চায়। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ওয়েলিংটনের সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেখানে নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের সভা করা সম্ভব বলেও জানানো হয়।কালীঘাট তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে দাবি করেন, তাঁদের আবেদন অনেক আগে করা হলেও অনুমতি দেওয়া হয়নি। অথচ পরে আবেদন করা অন্য সংগঠনকে সভার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম কেন প্রযোজ্য হবে, সেই প্রশ্নেরও উত্তর পাওয়া যায়নি।আদালতে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহিদ মিনারে অন্য একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি রয়েছে। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সীমিত সংখ্যক সমর্থক নিয়ে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা করার প্রস্তাব দেন। তিনি জানান, এই জায়গাটি দুই কর্মসূচির মধ্যে যথেষ্ট দূরত্ব বজায় রাখবে। তবে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সমর্থকের সংখ্যা সীমিত রাখতে হবে।প্রথমে তিন হাজার মানুষের অনুমতির কথা উঠলেও রাজ্য আপত্তি জানায়। পরে আদালত আড়াই হাজার সমর্থক নিয়ে সভা করার অনুমতি দেয়। একই সঙ্গে জানানো হয়, সভা বিকেল সাড়ে তিনটার মধ্যে শেষ করতে হবে।শুনানির সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় একুশে জুলাইয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, এই দিনের সঙ্গে তাঁদের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। আগের দিনের বিক্ষোভে কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও আদালতের সামনে তোলা হয়।সব দিক বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে শর্তসাপেক্ষে একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশের অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটলেও, রাজনৈতিক উত্তাপ যে এখানেই থামছে না, তা স্পষ্ট।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

মদনের পদত্যাগেই জোর জল্পনা! এবার কি বড় ঝড়ের মুখে তৃণমূল?

তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক সমীকরণ কি দ্রুত বদলে যাচ্ছে? সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনাকে ঘিরে সেই প্রশ্নই এখন জোরালো হচ্ছে। একের পর এক নেতার অবস্থান বদল এবং নতুন শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। সব মিলিয়ে তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে বাড়ছে জল্পনা।ভাই স্বরূপ বিশ্বাস জেলে রয়েছেন। অরূপ বিশ্বাসকে নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে নানা জল্পনা চলছিল। সেই পরিস্থিতিতে অনেকেই ভেবেছিলেন দলের ভিতরে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অরূপ বিশ্বাসকে দেখা যায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। এরপরই শুরু হয় নতুন রাজনৈতিক চর্চা।এর মধ্যেই আরও বড় চমক দেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। তৃণমূলের দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিত মদন দলীয় সব পদ ছেড়ে ঋতব্রতের শিবিরে যোগ দেন। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, এটি কি শুধুই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি দলের অন্দরে জমে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ?ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, এটি কোনও ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নয়। তাঁর কথায়, ব্যক্তিপূজার পরিবর্তে সম্মিলিত নেতৃত্বের পক্ষে যারা বিশ্বাস করেন, তাঁদের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির নেপথ্যে আরও বড় রাজনৈতিক সমীকরণ কাজ করছে।এদিকে পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মদন মিত্রের স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। আগামী বাইশ ও তেইশ জুলাই তাঁদের হাজির হতে বলা হয়েছে। এই ঘটনার পরই মদনের নতুন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আরও জোরালো হয়েছে জল্পনা।অন্যদিকে অনুব্রত মণ্ডলও নতুন আইনি সমস্যায় পড়েছেন। দুই হাজার একুশ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, হামলা চালিয়ে বিপুল সংখ্যক ইট লুট করা হয়েছিল এবং ভয় দেখানো হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি নেতা তাপস রায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের অন্দরে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, দলের ভিতরে এখন অস্থিরতা স্পষ্ট।সব মিলিয়ে একের পর এক রাজনৈতিক ঘটনা ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। আগামী দিনে এই ঘটনাগুলি রাজ্যের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টের চাপে শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিলেন অভিষেক! এবার কি বড় বিপদ?

হাইকোর্টের নির্দেশের পর শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিতে হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিধাননগর আদালতে প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে তাঁর কণ্ঠস্বর রেকর্ড করা হয়েছে। এবার সেই নমুনা যাবে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য। এই রিপোর্টকে ঘিরেই রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি পাতার লেখা দুবার পড়তে বলা হয়। একবার স্বাভাবিক গলায় এবং আর একবার ধীরে। সেই রেকর্ডিং একটি মেমোরি কার্ডে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরে সেটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। তদন্তকারীদের লক্ষ্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত অডিয়োর কণ্ঠস্বরের সঙ্গে এই নমুনার মিল রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা।জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনে কোনও নির্দিষ্ট বক্তৃতা হুবহু পড়ানো হয়নি। অভিযোগে উল্লিখিত কিছু শব্দ ব্যবহার করে একটি নতুন লেখা তৈরি করা হয়েছিল। সেই লেখাই পড়ে শোনান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিও রেকর্ডিংও করা হয়েছে। আদালতে পৌঁছনো থেকে শুরু করে কণ্ঠের নমুনা দেওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ ক্যামেরাবন্দি করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে যাতে কোনও প্রশ্ন না ওঠে, সেই কারণেই সমস্ত কিছু নথিভুক্ত করা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহের পর প্রয়োজনীয় নথিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাক্ষরও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রেকর্ডিং এবং ভিডিওর বিশেষ ডিজিটাল পরিচিতিও তৈরি করা হয়েছে, যাতে ফরেন্সিক পরীক্ষার সময় তথ্যের অখণ্ডতা বজায় থাকে।এই মামলার অভিযোগকারী রাজীব সরকারের দাবি, তদন্তের কাজ সঠিক দিকেই এগোচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত একটি তালিকা এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি জনসভায় জেলা, ব্লক এবং ওয়ার্ডভিত্তিক একটি তালিকার কথা বলেছিলেন। সেই তালিকাতেই বহু মানুষের নাম ছিল বলে অভিযোগকারীর দাবি। তদন্তে সেই তালিকারও খোঁজ চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।এখন সকলের নজর ফরেন্সিক রিপোর্টের দিকে। কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার ফল এই মামলার তদন্তে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

একুশের পোস্টার থেকে হঠাৎ উধাও অভিষেক! তৃণমূলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত?

একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের নতুন পোস্টার প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। পোস্টারে রয়েছেন শুধু তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নেই। এই নিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা।কলকাতা হাইকোর্ট একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের জন্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি দেওয়ার পর নতুন পোস্টার প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ। পরে সেই একই পোস্টার নিজের সামাজিক মাধ্যমেও ভাগ করে নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পোস্টারে তাঁর ছবি না থাকায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে।এর আগে প্রকাশিত প্রথম পোস্টারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল। তখন সমাবেশের নির্দিষ্ট স্থান ঠিক না হওয়ায় শুধু কলকাতায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু নতুন পোস্টারে শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রাখা হয়েছে।এই ঘটনা এমন সময়ে সামনে এল, যখন দলের অন্দরে একের পর এক রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েক জন নেতা ও বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সর্বশেষ সেই তালিকায় যোগ হয়েছে মদন মিত্রের নাম। ফলে পোস্টারে অভিষেকের ছবি না থাকাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে।তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, এই ঘটনাকে নতুন করে দেখার প্রয়োজন নেই। কারণ গত বছরও একুশে জুলাইয়ের প্রচারের পোস্টারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল না। সেই সময় দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই সমাবেশের পোস্টারে শুধুমাত্র দলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিই রাখা হবে। একই ধরনের ঘটনা দুই হাজার তেইশ সালেও দেখা গিয়েছিল।ফলে নতুন পোস্টার ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা যতই বাড়ুক, এটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত নাকি তার পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, সেই উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একুশে জুলাইয়ের আগে এই পোস্টার যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুলাই ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal